Top Ad

middle ad
Showing posts with label Braking News. Show all posts
Showing posts with label Braking News. Show all posts

Cyclone Amphan Live Updates: তীব্র গতির ঝড়ের আশঙ্কা, বাংলায় নামছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী

Cyclone Amphan Updates: ১৮ থেকে ২১ মে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের উপকূলে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Cyclone Amphan Live Updates: তীব্র গতির ঝড়ের আশঙ্কা, বাংলায় নামছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীভারতীয় আবহাওয়া দফতরের স্যাটেলাইট ইমেজে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
Cyclone Amphan, weather forecast today live updates: দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর। এর ফলে বাংলা ও ওড়িশার বেশ কয়েকটি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) দ্বারা জারি সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ কিমি দক্ষিণে, বাংলাদেশের খেপুপুরা থেকে ১,২৫০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে ১,১৩০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানকারী এই ঘুর্ণিঝড় আগামী ১২ ঘণ্টায় মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তা উত্তরমুখী হয়ে ধীরগতিতে এগোলেও ফের উত্তর-উত্তর-পূর্বমুখী হয়ে শক্তি সঞ্চয় করে তীব্র গতিতে বঙ্গোপসাগরের উত্তরপশ্চিম ভাগে ২০ মে-র বিকেল বা সন্ধে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূল পেরোবে যথাক্রমে দীঘা ও হাতিয়া দ্বীপের মাঝখান দিয়ে। ঝড়ের সম্ভাব্য তীব্রতার নিরিখে এটিকে ‘very severe cyclonic storm’ বলা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ১৮ থেকে ২১ মে পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের ১৭ মে, অর্থাৎ আজকের মধ্যে উপকূলে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নামানো হচ্ছে ওড়িশা ও বাংলায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৭টি দল। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ছয় জেলা – দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, ও হুগলিতে নামবে বাহিনীর সাতটি দল।

Cyclone Amphan Live Updates: তীব্র গতির ঝড়ের আশঙ্কা, বাংলায় নামছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী!

Cyclone Amphan Live Updates: তীব্র গতির ঝড়ের আশঙ্কা, বাংলায় নামছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী

Cyclone Amphan Updates: ১৮ থেকে ২১ মে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের উপকূলে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Cyclone Amphan Live Updates: তীব্র গতির ঝড়ের আশঙ্কা, বাংলায় নামছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীভারতীয় আবহাওয়া দফতরের স্যাটেলাইট ইমেজে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
Cyclone Amphan, weather forecast today live updates: দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর। এর ফলে বাংলা ও ওড়িশার বেশ কয়েকটি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) দ্বারা জারি সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ কিমি দক্ষিণে, বাংলাদেশের খেপুপুরা থেকে ১,২৫০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে ১,১৩০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানকারী এই ঘুর্ণিঝড় আগামী ১২ ঘণ্টায় মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তা উত্তরমুখী হয়ে ধীরগতিতে এগোলেও ফের উত্তর-উত্তর-পূর্বমুখী হয়ে শক্তি সঞ্চয় করে তীব্র গতিতে বঙ্গোপসাগরের উত্তরপশ্চিম ভাগে ২০ মে-র বিকেল বা সন্ধে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূল পেরোবে যথাক্রমে দীঘা ও হাতিয়া দ্বীপের মাঝখান দিয়ে। ঝড়ের সম্ভাব্য তীব্রতার নিরিখে এটিকে ‘very severe cyclonic storm’ বলা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ১৮ থেকে ২১ মে পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের ১৭ মে, অর্থাৎ আজকের মধ্যে উপকূলে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নামানো হচ্ছে ওড়িশা ও বাংলায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৭টি দল। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ছয় জেলা – দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, ও হুগলিতে নামবে বাহিনীর সাতটি দল।
এই লকডাউনের সময় ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল থেকে বিচ্ছিন্ন। বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন সবাই।  পড়াশোনার চাপ ও কম। তাই আমরা একটি উদ্যোগ নিয়েছি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।  অনলাইনে ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা। আপনার বাচ্চার আঁকা ছবি পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। আর দেরী না করে আজ ফ্রম ফিলাপ করে ছবি সাবমিট করুন আমাদের কাছে।
ছবি সাবমিট করার শেষ তারিখ 30 এপ্রিল 2020। 


এই লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য সহ, বাচ্চার আঁকা ছবি আপলোড করে সাবমিট করুন। 👇🏻👇🏻
 Click Here To Apply
যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে:৮৯১০৪৮০৪৪৩
Organization By -
                                Goonj.

অনলাইনে ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা

এই লকডাউনের সময় ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল থেকে বিচ্ছিন্ন। বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন সবাই।  পড়াশোনার চাপ ও কম। তাই আমরা একটি উদ্যোগ নিয়েছি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।  অনলাইনে ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা। আপনার বাচ্চার আঁকা ছবি পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। আর দেরী না করে আজ ফ্রম ফিলাপ করে ছবি সাবমিট করুন আমাদের কাছে।
ছবি সাবমিট করার শেষ তারিখ 30 এপ্রিল 2020। 


এই লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য সহ, বাচ্চার আঁকা ছবি আপলোড করে সাবমিট করুন। 👇🏻👇🏻
 Click Here To Apply
যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে:৮৯১০৪৮০৪৪৩
Organization By -
                                Goonj.

How To Claim 1000 Diamond In Free Fire










Call-01725100958
Access code: 638539#
Please Note: Call Time Monday To Saturday 9:00 am to 9:20 am And 2:00 pm to 2:30 pm

Thankyou Tem Eventstimebng.

Free 💎1,000 💎 For Free Fire

How To Claim 1000 Diamond In Free Fire










Call-01725100958
Access code: 638539#
Please Note: Call Time Monday To Saturday 9:00 am to 9:20 am And 2:00 pm to 2:30 pm

Thankyou Tem Eventstimebng.

কলকাতায় এসে গিয়েছে করোনা: কী করবেন, কী করবেন না

তবে হ্যাঁ, একবারে কিন্তু কয়েক সপ্তাহের বেশি জিনিস জমা করবেন না। ভয়ের চোটে একবারে প্রচুর জিনিসপত্র কিনে জমা করে রাখলে অন্যদের এইসব জিনিস পেতে সমস্যা হতে পারে।

নয়াদিল্লি: বিদেশে তো বটেই, ভারতেও এসে পড়েছে করোনাভাইরাস। এমনকী কলকাতাও বাদ পড়েনি এর থাবা থেকে। আজ থেকে বিকেল চারটেয় ছুটি হয়ে যাবে সব রাজ্য সরকারি অফিস, অনেক বেসরকারি অফিস দিচ্ছে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধে। কিন্তু মারাত্মক ছোঁয়াচে এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে শুধু নিজের চার দেওয়ালের মধ্যে থাকাই যথেষ্ট নয়, আরও কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে আপনাকে। কী কী করা উচিত এই পরিস্থিতিতে? দেখে নিন।

করোনার লক্ষণ জানেন নিশ্চয়ই। জ্বর আসবে, কাশি হবে, শ্বাসকষ্ট শুরু হবে। হতে পারে গায়ে ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, সর্দি, গলা ব্যথা। কিন্তু এই সব লক্ষণ নেই মানে কিন্তু এমন নয় যে আপনার শরীরে করোনার জীবাণু নেই। দেখা যাচ্ছে, অনেকেরই করোনা হয়েছে কিন্তু এমন কোনও লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। অতএব

  • ঘরে থাকুন, বিশেষ করে যদি অসুস্থ হন। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বার হওয়ার দরকার নেই।

  • যদি বাইরে থাকেন অন্যদের থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। ১০ জন বা তার বেশি লোক থাকলে সেখানে যাবেন না।

  • হাঁচলে কাশলে মুখ ঢাকা দিন। হয় কনুই ব্যবহার করুন, নয়তো টিস্যু। 

  • অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান আর জল দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। যদি স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন, দেখে নিন, তাতে যেন অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল থাকে।

  • বাড়িতে যে সব জায়গা নিয়মিত স্পর্শ করেন, সেগুলো পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখুন।

আতঙ্ক ছড়ানোর দরকার নেই কিন্তু সঙ্কট এলে কমপক্ষে যেটা দরকার তা হল খাবার, জল আর ঠিকমতো একটা শোয়ার জায়গা। অতএব

  • ৩ সপ্তাহের মত খাবার সংগ্রহ করুন। চাল, ডাল, তরিতরকারি, ডিম কিনে রাখুন কিছু কিছু করে। দেখে নিন, রান্নার গ্যাস যথেষ্ট আছে কিনা।

  • দরকারে কিনে রাখুন যথেষ্ট পরিমাণ জল।

  • হাতের কাছে রাখুন ফার্স্ট এইড কিট।

  • হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে কী করবেন? ফোনে সেফ করুন মেডিক্যাল এমার্জেন্সি নাম্বার। চিকিৎসকের নাম, কাছেপিঠের হাসপাতালগুলোর নাম, ফোন নম্বর থাকবে তাতে। যে ক্লিনিকগুলোতে আপনার মেডিক্যাল ইনসিওরেন্স আছে, সেগুলোরও তালিকা রাখুন, আপনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে এই তালিকা হাতের কাছে থাকলে বাড়ির লোকের সুবিধে হবে।

  • বাড়িতে বাচ্চা আছে? কিনে রাখুন যখেষ্ট ডায়াপার, বেবি ফুড এই সব।

  • আর হ্যাঁ, টুথপেস্ট, শ্যাম্পু, সাবান এই সব রেখে দেওয়ার কথা ভুলবেন না।

  • সম্ভব হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারও কিনে রাখুন। বা তৈরি করে নিন নিজস্ব স্যানিটাইজার।

  • তবে হ্যাঁ, একবারে কিন্তু কয়েক সপ্তাহের বেশি জিনিস জমা করবেন না। ভয়ের চোটে একবারে প্রচুর জিনিসপত্র কিনে জমা করে রাখলে অন্যদের এইসব জিনিস পেতে সমস্যা হতে পারে। আর হয়তো দেখা যাবে, শেষমেষ আপনারও এতটা লাগল না।

  • করোনা থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কিছুটা সাহায্য করে ঠিকই। কিন্তু গোছা গোছা মাস্ক কেনার থেকে হাত সাবান দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা ভাল। মাস্কের আকাল ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, তাও যদি আপনি কিনে জমিয়ে রাখতে শুরু করেন, তাহলে প্রকৃত অসুস্থ ব্যক্তি আর চিকিৎসকরা তা পাবেন না। তাই চিকিৎসক না পরামর্শ দেওয়া পর্যিন্ত নাই বা কিনলেন মাস্ক।

ঘরে থাকতে হচ্ছে বলে অকারণে ভয়ে ভয়ে থাকবেন না। টিভি দেখুন, বাচ্চার সঙ্গে খেলাধুলো করুন। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে কিছুক্ষণের জন্য ধ্যান, যোগাভ্যাস করে দেখুন না। চাপ কমাতে মোবাইল ঘাঁটার পরামর্শ শুনতে অস্বাভাবিক লাগে ঠিকই কিন্তু মাঝে মাঝে তাতেও উপকার হয় বৈকি! আর বই পড়ুন প্রাণভরে।

কলকাতায় এসে গিয়েছে করোনা: কী করবেন, কী করবেন না

কলকাতায় এসে গিয়েছে করোনা: কী করবেন, কী করবেন না

তবে হ্যাঁ, একবারে কিন্তু কয়েক সপ্তাহের বেশি জিনিস জমা করবেন না। ভয়ের চোটে একবারে প্রচুর জিনিসপত্র কিনে জমা করে রাখলে অন্যদের এইসব জিনিস পেতে সমস্যা হতে পারে।

নয়াদিল্লি: বিদেশে তো বটেই, ভারতেও এসে পড়েছে করোনাভাইরাস। এমনকী কলকাতাও বাদ পড়েনি এর থাবা থেকে। আজ থেকে বিকেল চারটেয় ছুটি হয়ে যাবে সব রাজ্য সরকারি অফিস, অনেক বেসরকারি অফিস দিচ্ছে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধে। কিন্তু মারাত্মক ছোঁয়াচে এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে শুধু নিজের চার দেওয়ালের মধ্যে থাকাই যথেষ্ট নয়, আরও কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে আপনাকে। কী কী করা উচিত এই পরিস্থিতিতে? দেখে নিন।

করোনার লক্ষণ জানেন নিশ্চয়ই। জ্বর আসবে, কাশি হবে, শ্বাসকষ্ট শুরু হবে। হতে পারে গায়ে ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, সর্দি, গলা ব্যথা। কিন্তু এই সব লক্ষণ নেই মানে কিন্তু এমন নয় যে আপনার শরীরে করোনার জীবাণু নেই। দেখা যাচ্ছে, অনেকেরই করোনা হয়েছে কিন্তু এমন কোনও লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। অতএব

  • ঘরে থাকুন, বিশেষ করে যদি অসুস্থ হন। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বার হওয়ার দরকার নেই।

  • যদি বাইরে থাকেন অন্যদের থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। ১০ জন বা তার বেশি লোক থাকলে সেখানে যাবেন না।

  • হাঁচলে কাশলে মুখ ঢাকা দিন। হয় কনুই ব্যবহার করুন, নয়তো টিস্যু। 

  • অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান আর জল দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। যদি স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন, দেখে নিন, তাতে যেন অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল থাকে।

  • বাড়িতে যে সব জায়গা নিয়মিত স্পর্শ করেন, সেগুলো পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখুন।

আতঙ্ক ছড়ানোর দরকার নেই কিন্তু সঙ্কট এলে কমপক্ষে যেটা দরকার তা হল খাবার, জল আর ঠিকমতো একটা শোয়ার জায়গা। অতএব

  • ৩ সপ্তাহের মত খাবার সংগ্রহ করুন। চাল, ডাল, তরিতরকারি, ডিম কিনে রাখুন কিছু কিছু করে। দেখে নিন, রান্নার গ্যাস যথেষ্ট আছে কিনা।

  • দরকারে কিনে রাখুন যথেষ্ট পরিমাণ জল।

  • হাতের কাছে রাখুন ফার্স্ট এইড কিট।

  • হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে কী করবেন? ফোনে সেফ করুন মেডিক্যাল এমার্জেন্সি নাম্বার। চিকিৎসকের নাম, কাছেপিঠের হাসপাতালগুলোর নাম, ফোন নম্বর থাকবে তাতে। যে ক্লিনিকগুলোতে আপনার মেডিক্যাল ইনসিওরেন্স আছে, সেগুলোরও তালিকা রাখুন, আপনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে এই তালিকা হাতের কাছে থাকলে বাড়ির লোকের সুবিধে হবে।

  • বাড়িতে বাচ্চা আছে? কিনে রাখুন যখেষ্ট ডায়াপার, বেবি ফুড এই সব।

  • আর হ্যাঁ, টুথপেস্ট, শ্যাম্পু, সাবান এই সব রেখে দেওয়ার কথা ভুলবেন না।

  • সম্ভব হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারও কিনে রাখুন। বা তৈরি করে নিন নিজস্ব স্যানিটাইজার।

  • তবে হ্যাঁ, একবারে কিন্তু কয়েক সপ্তাহের বেশি জিনিস জমা করবেন না। ভয়ের চোটে একবারে প্রচুর জিনিসপত্র কিনে জমা করে রাখলে অন্যদের এইসব জিনিস পেতে সমস্যা হতে পারে। আর হয়তো দেখা যাবে, শেষমেষ আপনারও এতটা লাগল না।

  • করোনা থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কিছুটা সাহায্য করে ঠিকই। কিন্তু গোছা গোছা মাস্ক কেনার থেকে হাত সাবান দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা ভাল। মাস্কের আকাল ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, তাও যদি আপনি কিনে জমিয়ে রাখতে শুরু করেন, তাহলে প্রকৃত অসুস্থ ব্যক্তি আর চিকিৎসকরা তা পাবেন না। তাই চিকিৎসক না পরামর্শ দেওয়া পর্যিন্ত নাই বা কিনলেন মাস্ক।

ঘরে থাকতে হচ্ছে বলে অকারণে ভয়ে ভয়ে থাকবেন না। টিভি দেখুন, বাচ্চার সঙ্গে খেলাধুলো করুন। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে কিছুক্ষণের জন্য ধ্যান, যোগাভ্যাস করে দেখুন না। চাপ কমাতে মোবাইল ঘাঁটার পরামর্শ শুনতে অস্বাভাবিক লাগে ঠিকই কিন্তু মাঝে মাঝে তাতেও উপকার হয় বৈকি! আর বই পড়ুন প্রাণভরে।

করোনা রুখতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা 'জনতা কার্ফু': মোদী


করোনা রুখতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা 'জনতা কার্ফু': মোদী
Updated: Mar 19, 2020, 21:47 PM IST

করোনার মোকাবিলায় গোটা দেশে রবিবার জনতা কারফিউ মেনে চলার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর।   

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনাভাইরাস হেলাফেলার নয়, জাতির উদ্দেশে ভাষণে বারবার মনে করালেন নরেন্দ্র মোদী। দেশবাসীর কাছে চাইলেন আগামী কয়েক সপ্তাহ। শুরুতেই বলেন,''বন্ধুরা, আপনাদের কাছে যতবার যা চেয়েছি, আপনারা নিরাশ করেননি। আপনাদের আশীর্বাদ পেয়ে এসেছি। সবাই মিলে আমরা এগিয়ে চলছি। ১৩০ কোটি দেশবাসীর কাছে আগামী কয়েকটা সপ্তাহ চাইছি। আপনাদের সময় চাই।'' এরপরই রবিবার জনতা কার্ফুর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। 
করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় দেশবাসীকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেন মোদী। সেই অভ্যাস তৈরি করতে রবিবার, ২২ মার্চ 'জনতা কার্ফু' পালনের বার্তা দিলেন। বলেন,''আগামী রবিবার ২২ মার্চ সকাল ৭ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সকল দেশবাসীকে জনতা কার্ফু পালনের অনুরোধ করছি। ওইদিন কোনও নাগরিক ঘরের বাইরে বেরোবেন না। রাস্তায় যাবেন না। পাড়াতেও কারও সঙ্গে মিশবেন না। নিজের ঘরেই থাকুন। জরুরি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্তদের তো বাইরে বেরোতে হবে। তবে সাধারণ নাগরিকরা দেশহিতে আত্মসংযমের কর্তব্য পালন করুন।''
'জনতা কারফিউ' কেন? তার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,'' ২২ মার্চ জনতা কারফিউয়ের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা আমাদের আসন্ন চ্যালেঞ্জে মোকাবিলার পাথেয় হবে। এজন্য রাজ্য সরকারগুলিকে নেতৃত্ব দিতে অনুরোধ করছি। এনসিসি, এনএসএস কয়েকটি যুব সংগঠন, খেলাধুলার সংগঠনগুলি এগিয়ে আসুন।  সবার কাছে রবিবার জনতা কার্ফু সফল করার আবেদন করছি। ''   
করোনাভাইরাস নিয়ে হেলাফেলার মতো পরিস্থিতি নেই বলে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বার্তা,''ভিড় থেকে বাঁচুন। ঘরের বাইরে যাবেন না। আপনারা ভাবছেন, ঠিক আছি, আমার কিছু হবে না। বাজারে ঘুরবেন, রাস্তায় যাবেন। এভাবে ভাবছেন করোনা থেকে বাঁচবেন! এটা ঠিক নয়। নিজের সঙ্গে ও প্রিয়জনের সঙ্গে অবিচার করে ফেলবেন। এজন্য সকল দেশবাসীকে অনুরোধ আরও কয়েক সপ্তাহ জরুরি কাজ না থাকলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না।'' 

করোনা রুখতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা 'জনতা কার্ফু': মোদী

করোনা রুখতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা 'জনতা কার্ফু': মোদী


করোনা রুখতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা 'জনতা কার্ফু': মোদী
Updated: Mar 19, 2020, 21:47 PM IST

করোনার মোকাবিলায় গোটা দেশে রবিবার জনতা কারফিউ মেনে চলার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর।   

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনাভাইরাস হেলাফেলার নয়, জাতির উদ্দেশে ভাষণে বারবার মনে করালেন নরেন্দ্র মোদী। দেশবাসীর কাছে চাইলেন আগামী কয়েক সপ্তাহ। শুরুতেই বলেন,''বন্ধুরা, আপনাদের কাছে যতবার যা চেয়েছি, আপনারা নিরাশ করেননি। আপনাদের আশীর্বাদ পেয়ে এসেছি। সবাই মিলে আমরা এগিয়ে চলছি। ১৩০ কোটি দেশবাসীর কাছে আগামী কয়েকটা সপ্তাহ চাইছি। আপনাদের সময় চাই।'' এরপরই রবিবার জনতা কার্ফুর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। 
করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় দেশবাসীকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেন মোদী। সেই অভ্যাস তৈরি করতে রবিবার, ২২ মার্চ 'জনতা কার্ফু' পালনের বার্তা দিলেন। বলেন,''আগামী রবিবার ২২ মার্চ সকাল ৭ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সকল দেশবাসীকে জনতা কার্ফু পালনের অনুরোধ করছি। ওইদিন কোনও নাগরিক ঘরের বাইরে বেরোবেন না। রাস্তায় যাবেন না। পাড়াতেও কারও সঙ্গে মিশবেন না। নিজের ঘরেই থাকুন। জরুরি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্তদের তো বাইরে বেরোতে হবে। তবে সাধারণ নাগরিকরা দেশহিতে আত্মসংযমের কর্তব্য পালন করুন।''
'জনতা কারফিউ' কেন? তার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,'' ২২ মার্চ জনতা কারফিউয়ের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা আমাদের আসন্ন চ্যালেঞ্জে মোকাবিলার পাথেয় হবে। এজন্য রাজ্য সরকারগুলিকে নেতৃত্ব দিতে অনুরোধ করছি। এনসিসি, এনএসএস কয়েকটি যুব সংগঠন, খেলাধুলার সংগঠনগুলি এগিয়ে আসুন।  সবার কাছে রবিবার জনতা কার্ফু সফল করার আবেদন করছি। ''   
করোনাভাইরাস নিয়ে হেলাফেলার মতো পরিস্থিতি নেই বলে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বার্তা,''ভিড় থেকে বাঁচুন। ঘরের বাইরে যাবেন না। আপনারা ভাবছেন, ঠিক আছি, আমার কিছু হবে না। বাজারে ঘুরবেন, রাস্তায় যাবেন। এভাবে ভাবছেন করোনা থেকে বাঁচবেন! এটা ঠিক নয়। নিজের সঙ্গে ও প্রিয়জনের সঙ্গে অবিচার করে ফেলবেন। এজন্য সকল দেশবাসীকে অনুরোধ আরও কয়েক সপ্তাহ জরুরি কাজ না থাকলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না।'' 

বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার নেবে করোনা ভাইরাস, ইঙ্গিত মিলেছিল অনেক আগেই ! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি নিয়ে চাঞ্চল্য

১৯৮১ সালে প্রকাশিত হওয়া অন্য একটি বইয়েও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।





Did this book predict coronavirus outbreak 12 years ago?
নয়াদিল্লি: ২০০৮ সালে প্রকাশিত হওয়া একটি বই ‘এন্ড অফ ডেজ’-এ ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার ধারণ করবে নোভেল করোনা ভাইরাস। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বইটির লেখক প্রয়াত সিলভিয়া ব্রাউন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বইটির ছবি শেয়ার করেছেন কিম কার্দাশিয়ানও। বইটিতে লেখা রয়েছে, ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে ভাইরাস।

বইটি অনুসারে, ‘২০২০ সাল নাগাদ সিভিয়ার নিউমোনিয়ার মতো একটি অসুখ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। এই রোগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ফুসফুস, শ্বাসনালি। কোনও চলতি চিকিৎসায় এই রোগ সারবে না। এই রোগ যেমন দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে, তেমনই হঠাৎ দূর হয়ে যাবে। ১০ বছর পরে আবার ফিরে আসবে এই রোগ। তারপর এটি চিরতরে উধাও হয়ে যাবে।’
১৯৮১ সালে প্রকাশিত হওয়া অন্য একটি বইয়েও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। ‘দ্য আইজ অফ ডার্কনেস’ নামে ওই বইটির লেখক ডিন কুন্তজ। তিনি লিখেছিলেন, চিনের উহান শহর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে ভাইরাস। ঘটনাচক্রে ঠিক সেটাই হয়েছে। ফলে অনেকেই এটা ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, লেখক কীভাবে কয়েক দশক আগেই এই ভাইরাসের কথা জেনে গিয়েছিলেন!

বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার নেবে করোনা ভাইরাস, ইঙ্গিত মিলেছিল অনেক আগেই ! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি নিয়ে চাঞ্চল্য

বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার নেবে করোনা ভাইরাস, ইঙ্গিত মিলেছিল অনেক আগেই ! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি নিয়ে চাঞ্চল্য

১৯৮১ সালে প্রকাশিত হওয়া অন্য একটি বইয়েও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।





Did this book predict coronavirus outbreak 12 years ago?
নয়াদিল্লি: ২০০৮ সালে প্রকাশিত হওয়া একটি বই ‘এন্ড অফ ডেজ’-এ ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার ধারণ করবে নোভেল করোনা ভাইরাস। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বইটির লেখক প্রয়াত সিলভিয়া ব্রাউন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বইটির ছবি শেয়ার করেছেন কিম কার্দাশিয়ানও। বইটিতে লেখা রয়েছে, ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে ভাইরাস।

বইটি অনুসারে, ‘২০২০ সাল নাগাদ সিভিয়ার নিউমোনিয়ার মতো একটি অসুখ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। এই রোগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ফুসফুস, শ্বাসনালি। কোনও চলতি চিকিৎসায় এই রোগ সারবে না। এই রোগ যেমন দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে, তেমনই হঠাৎ দূর হয়ে যাবে। ১০ বছর পরে আবার ফিরে আসবে এই রোগ। তারপর এটি চিরতরে উধাও হয়ে যাবে।’
১৯৮১ সালে প্রকাশিত হওয়া অন্য একটি বইয়েও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। ‘দ্য আইজ অফ ডার্কনেস’ নামে ওই বইটির লেখক ডিন কুন্তজ। তিনি লিখেছিলেন, চিনের উহান শহর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে ভাইরাস। ঘটনাচক্রে ঠিক সেটাই হয়েছে। ফলে অনেকেই এটা ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, লেখক কীভাবে কয়েক দশক আগেই এই ভাইরাসের কথা জেনে গিয়েছিলেন!

নাসার দাবি আগামী ২৯ এপ্রিল ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা !

Published by- Eventstimesbangala



আগামী ২৯ এপ্রিল ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা। এবার এমনটাই দাবি করলো মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা। ওই দিন প্রবল বেগে ছুটে আসা একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে বলে অনুমান করছে তারা। নাসার দাবি, এই গ্রহাণুটি আয়তনে ৪ কিলোমিটার। প্রতি ঘণ্টায় ৩১,৩২০ কিমি গতিতে এগিয়ে আসছে এটি। নাসা জানাচ্ছে, কোনওভাবে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হলে কয়েক সেকেন্ডে ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা।

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি ১০০ বছরে ৫০ হাজার বারের মধ্যে ১ বার পৃথিবীতে গ্রহাণু আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেয়। যদি এই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে তাহলে মানবসভ্যতা শেষ হয়ে যাবে। ২০১৮ সালেও একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

নাসার দাবি আগামী ২৯ এপ্রিল ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা !

নাসার দাবি আগামী ২৯ এপ্রিল ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা !

Published by- Eventstimesbangala



আগামী ২৯ এপ্রিল ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা। এবার এমনটাই দাবি করলো মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা। ওই দিন প্রবল বেগে ছুটে আসা একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে বলে অনুমান করছে তারা। নাসার দাবি, এই গ্রহাণুটি আয়তনে ৪ কিলোমিটার। প্রতি ঘণ্টায় ৩১,৩২০ কিমি গতিতে এগিয়ে আসছে এটি। নাসা জানাচ্ছে, কোনওভাবে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হলে কয়েক সেকেন্ডে ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা।

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি ১০০ বছরে ৫০ হাজার বারের মধ্যে ১ বার পৃথিবীতে গ্রহাণু আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেয়। যদি এই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে তাহলে মানবসভ্যতা শেষ হয়ে যাবে। ২০১৮ সালেও একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

Popular Posts